sponsor

sponsor
এস,এস কানেকশনস্. Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Slider

Updates

updates

National News

News

More News

Life & style

Games

Sports

World News

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি মানবিক-সহায়তা মিশন পাঠাবে মালয়েশিয়া।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি মানবিক-সহায়তা মিশন পাঠাবে মালয়েশিয়া।

রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ – রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি মানবিক-সহায়তা মিশন পাঠাবে মালয়েশিয়া।

এছাড়া রোহিঙ্গাদের চিকিৎসার জন্য সীমান্তে একটি সামরিক হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। খবর রয়টার্সের।

বিবৃতিতে তিনি জানান, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে শনিবার মিশনটি মালয়েশিয়া ছেড়ে যাবে।

মিশনটিকে ত্রাণ বিতরণে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস এবং মালিন্দো এয়ার সহযোগিতা করবে।

প্রধানমন্ত্রী নাজিব বলেন, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর মিয়ানমারে সামিরক বাহিনীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া সরকারের অবস্থানের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন ত্রাণ মিশন পাঠানো হচ্ছে।

গত ২৫ আগস্ট ভোররাত থেকে রাখাইনে সীমান্তরক্ষী পুলিশের সঙ্গে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের সংঘাত শুরু হয়। এতে শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হন। এর মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বাকিরা আনসার সদস্য ছিল।

এ ঘটনার পর মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী রাখাইনে বিতাড়ন  অভিযান শুরু করে। তারা রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলোতে হানা দিয়ে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করছে এবং দুই হাজার ৬০০ বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে।

এ অবস্থায় রাখাইন থেকে প্রাণ বাঁচাতে গত ১৪ দিনে প্রায় দুই লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে শুক্রবার জাতিসংঘ জানিয়েছে।

কক্সবাজারে বাংলাদেশ বিমান ও নৌবাহিনীর উপর্যুপরি আক্রমণ !! মায়ানমার সীমান্তে যে কোন মুহূর্তে যুদ্ধের সম্ভাবনা!!

কক্সবাজারে বাংলাদেশ বিমান ও নৌবাহিনীর উপর্যুপরি আক্রমণ । মায়ানমার সীমান্তে যে কোন মুহূর্তে যুদ্ধের সম্ভাবনা!!
গতকাল ঈদের দিন (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে ৪ টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান কক্সবাজারের দিকে উড়ে গেছে। সঙ্গে রয়েছে বিমান বাহিনীর এফ-৭ যুদ্ধবিমান। অন্যদিকে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৯টি যুদ্ধজাহাজ (বিএনএস বঙ্গবন্ধুসহ) পরিপূর্ণ যুদ্ধসাজে মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থান করছে। এর আগে শুক্রবার রাতেই প্রয়োজনীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সীমান্তে পাঠানো হয়েছে- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নামে খোলা একটি আনঅফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এমন তথ্য দেয়া হয়। এরপরই এটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ অন্যত্র। তবে আইএসপিআর এসব খবরকে নিছক গুজব বলে জানিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমের ওই পেজে বলা হয়- বিমান বাহিনীর Mikoyan MiG-29, Chengdu f-7BG এবং Yakovlev Yak-130 বিমানগুলো লোডেড অবস্থায় কম্ব্যাক্ট এয়ার পেট্রোল (CAP) পারফর্ম করছে।

তবে, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ের সত্যতা জানা যায়নি। সূত্র জানায়, মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সামরিক মহড়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ‘গুজব’ এবং ভিত্তিহীন। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে রুটিন মহড়া হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহড়া দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, তুরস্কের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ফোন করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে পাশে থাকার কথা বলার পরই এমন তথ্য প্রকাশ পায়।

এর আগে, রোহিঙ্গা সঙ্কটের মধ্যে আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিয়ানমারের হেলিকপ্টার ঢুকে পড়ার কড়া প্রতিবাদ জানায় ঢাকা।

শুক্রবার তিন দফায় মিয়ানমারের হেলিকপ্টার আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

সীমান্ত অঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, শুক্রবার মিয়ানমার বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণও করা হয়।

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হাজার হাজার রোহিঙ্গা বর্তমানে আবারো বাংলাদেশে ঢুকতে সীমান্তে জড়ো হয়েছে। এক হিসেবে মতে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর সরকারি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের এবারের ঘটনায় ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে।

অপরদিকে, বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বিষয়টি নজরে আসার পর কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাসে ‘ডিপ্লোমেটিক নোট’ পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, এভাবে আকাশ সীমা লঙ্ঘন প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয় এবং তা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করবে।

বাংলাদেশ যখন সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে মিয়ানমারকে সহায়তা করে আসছে, তখন এই ধরনের আচরণ নিজেদের পারস্পারিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতাকে ব্যাহত করবে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে গুলিও ছুড়েছিল মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীরা।

বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে না দিলেও গত এক সপ্তাহে ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধে রাখাইন রাজ্যে পরিস্থিতি শান্ত করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে মিয়ানমারকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্রঃ অনলাইন।

মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশের যুদ্ধ বিমান মোতায়েন

মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশের যুদ্ধ বিমান মোতায়েন 
সীমান্তে একাধিকবার বাংলাদেশের আকাশসীমা লংঘনের ১ দিনের মধ্যেই মায়ানমার সীমান্তে মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ।একই সাথে একটি এয়ার গ্রুপ এবং একটি নেভি গ্রুপ চট্টগ্রামে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় মতায়েন করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। এয়ার গ্রুপের কাছে মিগ ২৯ ছাড়াও এফ-৭ জঙ্গীবিমান এবং নেভি গ্রুপের কাছে ৯ টি যুদ্ধ জাহাজ রয়েছে। -সুত্র ঢাকা ট্রিবুনে

বিশ্ব মানবতা শব্দটি বড়ই অসহায় মিয়ানমারের সূচির কাছে !!

মিয়ানমারের সূচির কাছে বিশ্ব মানবতা শব্দটি বড় অসহায় !!
অগ্নিসংযোগ, হত্যাকান্ডে এবং নারীদের ধর্ষণ করে ও বাড়ি ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং তাদের সহায় সম্বল লুট করে নেয়া হয়েছে।’ ৮৭ হাজারেও বেশি রোহিঙ্গাকে পালিয়ে বাংলাদেশে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

মায়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দেশটির অস্থির রাখাইন অঞ্চলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড চালানোর অভিযোগ ওঠেছে। তারা সেখানকার নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে এবং তাদের ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুড়িয়ে দেয়া বলে জানিয়েছেন এর বাসিন্দা ও সহায়তা কর্মীরা। মায়ানমারের কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির অভিযানের পর এ পর্যন্ত শতাধিক লোক নিহত হয়েছে। বর্মি সেনারা রাখাইনের মংডু, বুথাইডাঙ্গা ও রাথডাঙ্গা শহর ঘেরাও করে রেখেছে এবং সেখানে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা সমর্থকরা আল-জাজিরাকে জানিয়েছে যে, নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮শ’ সংখ্যালঘু মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছে।
মংডুর বাসিন্দা আজিজ খান জানান, শুক্রবার সকালে তাদের গ্রামে সেনাবাহিনী হামলা চালায় এবং জনগণের গাড়ি ও ঘর-বাড়িতে নির্বিচারে গুলি চালায়।
তিনি বলেন, ‘সরকারি বাহিনী এবং সীমান্ত পুলিশ আমাদের গ্রামের অন্তত ১১ জনকে হত্যা করে। তারা গ্রামে পৌঁছেই যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সে অবস্থাই গুলি করেছে। এ সময় কিছু সৈন্য ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ঘটনায়।’
তিনি বলেন, ‘নিহতদের মধ্য নারী ও শিশুরাও রয়েছে। এমনকি তাদের হাত থেকে সদ্য জন্ম নেয়া একটি শিশুকেও গুলি করে হত্যা করা হয়।’
ইউরোপ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা কর্মী ও বøগার রো নে সান লউন বলেন, সা¤প্রতিক হামলার মাধ্যমে তাদের এলাকা থেকে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
নেটওয়ার্ক অ্যাক্টিভিস্টের মাধ্যমে ঘটনাস্থলের সংঘর্ষের ডকুমেন্ট দেখিয়ে সান লউন বলেন, সেখানকার মসজিদ-মাদরাসা পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। হাজার হাজার মুসলমান খাদ্য ও আশ্রয় ছাড়াই অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘সরকার ও সামরিক বাহিনীর অত্যাচারে আমার নিজের চাচা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে কোন সাহায্য দেয়ার পরিবর্তে জনগণের বাড়ি ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং তাদের সহায় সম্বল লুট করে নেয়া হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘খাদ্য, আশ্রয় এবং সুরক্ষা ছাড়া তারা কখন মারা যাবে জানি না।’
ছদ্ম নামে বুথাইডাং টাউনের বাসিন্দা মিন্ট লউইন বলেন, ‘প্রত্যেক পরিবারের মধ্য ভয়ঙ্কর ভয় কাজ করছে।’তিনি বলেন, ‘মানুষ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হত্যাকান্ডেরে ভিডিওগুলো শেয়ার করছে। ভিডিওগুলো প্রমাণ দিচ্ছে, কী নির্দয়ভাবে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। নির্দোষ মানুষকে গুলি করা হয়েছে। আপনি কল্পনা করতে পারবেন না যে আমরা কতটা ভয় পাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘কেউই তাদের বাড়ি ছেড়ে যেতে চায় না। মুসলমানরা হাসপাতাল, বাজার, কোথাও যেতে সাহস পাচ্ছে না। এটা খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি।’
সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, শত শত পুরুষ, নারী ও শিশু শুধু তাদের গায়ের কাপড় নিয়ে পালাচ্ছে এবং ধানের ক্ষেতগুলোতে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে। গত অক্টোবরে সীমান্ত চৌকিতে ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর অং সান সু চি’র সরকার রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে হাজার হাজার সৈন্য পাঠিয়ে অভিযান চালায়। তারা গ্রামগুলোতে অগ্নিসংযোগ, হত্যাকান্ডে এবং নারীদের ধর্ষণ করে এবং ৮৭ হাজারেও বেশি রোহিঙ্গাকে পালিয়ে বাংলাদেশে যেতে বাধ্য করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন ‘ফোর্টফাইট রাইটসের’ চিফ অ্যাক্সিকিউটিভ অফিসার ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, মায়ানমার কর্তৃপক্ষ সব রোহিঙ্গার সঙ্গে যোদ্ধাদের মতো আচরণ করছে। সরকারের সহিংসতার ঘটনাটি ‘সেরা অভিশাপ’ হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাখাইনে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ মিশনকে সহযোগিতা করতে প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির সরকার এবং সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সূত্রঃ অনলাইন।

ভয়াবহ খাদ্য বিপর্যয় সীমান্তে, খাদ্যাভাবে ও ক্ষুধার্ত রোহিঙ্গারা!

ভয়াবহ খাদ্য বিপর্যয় সীমান্তে, খাদ্যাভাবে ও ক্ষুধার্ত রোহিঙ্গারা!
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় প্রাণ রক্ষার্থে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আসছে। পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গারা খাদ্যের অভাবে কাতর হয়ে পড়েছে। সীমান্ত পাড়ি দেয়ার ১০ ঘন্টা পর কিছু শুকনো খাবার পেলেই ক্ষুদার্থ ছেলে-বুড়ো সকলেই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে।
এদিকে বাংলাদেশ সীমান্তে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। খোলা মাঠে তাবুতে কোনো রকমে ঠাঁই হলেও দেখা দিয়েছে খাদ্য ও অর্থ সংকট। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শারিরীক দুর্বলতার কারণে।

নারী-শিশুদের কষ্ট দেখে স্থানীয় বান্দরবান ও কক্সবাজারের মানুষ সহায়তার দিলেও তা নিতান্তই অপ্রতুল। এ অবস্থায় দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুধায় দুর্বল হয়ে পড়ছেন, বয়স্করা ঠিক মতো দাঁড়াতে পারছেন না। এর মধ্যেই চিন্তার ভাঁজ কপালে। ওপারে ফেলে আসা স্বজনদের জন্য ফেলছেন চোখের পানি।

সীমান্তে প্রতিদিন বাড়ছে আশ্রয়প্রার্থী মানুষের সংখ্যা। ক্রমেই আরও জঠিল হচ্ছে পরিস্থিতি। খাবারের সংকট বাড়ছে। ঘুমধুম ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা এলাকাবাসী যেভাবে পারছি সাহায্য করছি। কিন্তু মানুষের তুলনায় তা খুবই অল্প।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাধ্যমতো সবকিছু করছে। সূত্রঃ অনলাইন।

বাংলাদেশ মিয়ানমারকে সতর্ক বাণী দিল


বাংলাদেশ মিয়ানমারকে সতর্ক বাণী দিল
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মাহবুবুজ্জামানঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিন্টকে তলব করে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধে মিয়ানমারকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে গত বৃহস্পতিবার রাখাইনে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে।  একই সঙ্গে, রোহিঙ্গারা যেন দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ না করে সে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এ বিষয়ে অং মিন্টের কাছে একটি অনানুষ্ঠানিকপত্র হস্তান্তর করেছে ঢাকা। রাখাইন রাজ্যে বৃহস্পতিবার  এক রাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ২০টি পোস্টে হামলার ঘটনা ঘটে।  এরপর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।  রোহিঙ্গাদের একটি জঙ্গি সংগঠন এ হামলার দায়ও স্বীকার করে।  মিয়ানমার সরকারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযানে উভয়পক্ষের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য এবং ৭৭ রোহিঙ্গা জঙ্গি নিহত হয়েছে।

এ ঘটনার একদিন আগেই কফি আনান কমিশন তাদের প্রতিবেদন দেয়।  তাতে রাখাইন রাজ্যের সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দান ও স্বাধীন চলাচলের অনুমতির সুপারিশ করা হয়।

নতুন এ সহিংসতার পরই ফের বাংলাদেশের দিকে ঢল নামে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের।  সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও কক্সবাজারের সীমান্ত দিয়ে দলে দলে অনুপ্রবেশ করছে তারা।  তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত অবস্থায় বাংলাদেশে ঢুকেছেন।  শনিবারই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ এক রোহিঙ্গা মারা যান।

গত অক্টোবরেও সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাখাইনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।  ওই সময় প্রাণ বাঁচাতে অন্তত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন।  তারা এখনও উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন। সূত্রঃ অনলাইন।